জাপানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর খণ্ডকালীন কাজ: নিয়ম, অনুমতি ও পড়াশোনার দায়িত্ব

Foreign professional reviewing an employment contract in a modern Japanese office

AIC Japan পড়াশোনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজের নির্দেশিকা

খণ্ডকালীন কাজ সহায়ক হতে পারে, তবে শিক্ষার্থী মর্যাদা ও পড়াশোনার অগ্রগতি সবার আগে

“Student” বা শিক্ষার্থী বসবাসের মর্যাদা থাকলেই পারিশ্রমিকের কাজ করা যায় না। সঠিক অভিবাসন অনুমতি নিতে হবে, অনুমোদিত সময়ের মধ্যে থাকতে হবে এবং কাজের কারণে উপস্থিতি, পড়াশোনা বা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করা যাবে না।

সর্বশেষ যাচাই: ১১ আগস্ট ২০২৬   |   প্রযোজ্য: জাপানে শিক্ষার্থী বসবাসের মর্যাদাধারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী   |   পরবর্তী পর্যালোচনা: ফেব্রুয়ারি ২০২৭

প্রত্যেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর জানা প্রয়োজন এমন ছয়টি নিয়ম

  1. পারিশ্রমিকের কাজ শুরুর আগে অনুমতি নিন। বর্তমান বসবাসের মর্যাদার বাইরে কার্যক্রমের অনুমতির জন্য আবেদন করুন। রেসিডেন্স কার্ডের পেছনের অংশ দেখুন। নিশ্চিত না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা আঞ্চলিক অভিবাসন সেবা দপ্তরে জিজ্ঞাসা করুন।
  2. ক্লাস চলার সময়ে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৮ ঘণ্টার মধ্যে থাকুন। এটি সব কাজ মিলিয়ে মোট সময়, প্রতিটি নিয়োগদাতার জন্য আলাদা ২৮ ঘণ্টা নয়।
  3. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ ছুটিতে দিনে সর্বোচ্চ আট ঘণ্টা কাজের অনুমতি থাকে। এটি প্রতিষ্ঠান ঘোষিত দীর্ঘ ছুটি হতে হবে। সাধারণ সাপ্তাহিক ছুটি বা নিজের ক্লাস না থাকা দিন দীর্ঘ ছুটি নয়।
  4. নিষিদ্ধ প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদন ব্যবসায় কাজ করবেন না। এমন প্রতিষ্ঠানের পরোক্ষ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বা দাপ্তরিক কাজও এড়িয়ে চলুন।
  5. কাজের কারণে পড়াশোনার ক্ষতি করা যাবে না। উপস্থিতি, শিক্ষাগত অগ্রগতি, স্বাস্থ্য এবং জাপানে থাকার মূল উদ্দেশ্য অগ্রাধিকার পাবে।
  6. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি থাকা এবং শিক্ষার্থী মর্যাদা বজায় থাকার সময় অনুমতিটি প্রযোজ্য। স্নাতক শেষ, পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া, বহিষ্কার বা মর্যাদা পরিবর্তনের পর কাজের অনুমতি বদলে যেতে পারে।

নিয়োগদাতা “অনুমতি লাগবে না” বললেই কাজ শুরু করবেন না। প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা অভিবাসন সেবা দপ্তরে জিজ্ঞাসা করে রেসিডেন্স কার্ডে অনুমতির লেখা নিশ্চিত করুন।

কখন এবং কোথায় অনুমতির আবেদন করবেন

পরিস্থিতিকরণীয়যা ধরে নেবেন না
তিন মাসের বেশি থাকার মেয়াদসহ শিক্ষার্থী হিসেবে নতুন আগমনজাপানে প্রবেশের অনুমতি পাওয়ার সময় বিমানবন্দরে আবেদন করা সম্ভব হতে পারে।আবেদন করাই অনুমোদন পাওয়া নয়। অনুমতি সত্যিই দেওয়া হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন।
ইতিমধ্যে জাপানে বসবাস করছেননিজের ঠিকানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আঞ্চলিক অভিবাসন সেবা দপ্তরে আবেদন করুন।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র, কাজের প্রস্তাব বা শিক্ষার্থী মর্যাদা একা কাজের অনুমতি নয়।
সাধারণ সময়সীমার মধ্যে পারিশ্রমিকসহ ইন্টার্নশিপপারিশ্রমিক গ্রহণের আগে অনুমতি নিশ্চিত করুন এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবস্থা যাচাই করুন।কাজের নাম ইন্টার্নশিপ হলেই অভিবাসন নিয়ম বাদ যায় না।
সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টার বেশি পারিশ্রমিকসহ ইন্টার্নশিপইন্টার্নশিপের বিবরণীসহ আলাদা ব্যক্তিগত অনুমতি লাগতে পারে।সাধারণ সামগ্রিক অনুমতিতে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত নয়।

রেসিডেন্স কার্ডের প্রাসঙ্গিক পাশ এবং অনুমতির কাগজের কপি বা ছবি রাখুন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বদল, ছুটি, পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া, স্নাতক শেষ বা বসবাসের মর্যাদা পরিবর্তনের সময় অনুমতির ওপর কী প্রভাব পড়বে তা প্রতিষ্ঠান ও অভিবাসন সেবা দপ্তরে জেনে নিন।

সব কাজের সময় একসঙ্গে হিসাব করুন

অভিবাসন সময়সীমাটি আপনার সব কাজের মোট সময়। একই সপ্তাহে খাবারের দোকানে ১৬ ঘণ্টা এবং খুচরা দোকানে ১২ ঘণ্টা কাজ করলে মোট ২৮ ঘণ্টা পূর্ণ হয়। পারিশ্রমিকভিত্তিক পণ্য পৌঁছে দেওয়া, অনলাইন মাধ্যমে কাজ, স্বাধীন কাজ এবং অন্যান্য অর্থপ্রাপ্ত কার্যক্রমেও অনুমতি ও নির্ভরযোগ্য সময়ের নথি লাগতে পারে। কাজের সময় নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা না গেলে আলাদা ব্যক্তিগত অনুমতি প্রয়োজন হতে পারে।

সহজ সাপ্তাহিক হিসাব

প্রথম কাজের সময় + দ্বিতীয় কাজের সময় + পারিশ্রমিকসহ ইন্টার্নশিপ বা অন্য কাজ = সপ্তাহের মোট সময়।

প্রতিটি কাজের শুরুর সময়, শেষের সময় এবং বিরতি লিখে রাখুন। কাজের সময়সূচি, বেতন বিবরণী এবং সময় পরিবর্তনের বার্তা সংরক্ষণ করুন। বাস্তবে যত ঘণ্টা কাজ করেছেন তার চেয়ে কম লিখতে নিয়োগদাতাকে দেবেন না।

পড়াশোনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজের সময়সূচি করুন

ক্লাস চলার সময়ে ২৮ ঘণ্টা অভিবাসন আইনের সর্বোচ্চ সীমা, এটি লক্ষ্য হিসেবে কাজ করার পরামর্শ নয়। AIC Japan-এর পরামর্শ হলো শুরুতে অনেক কম সময় কাজ করা। উপস্থিতি, নির্ধারিত কাজ, ঘুম ও স্বাস্থ্য স্থিতিশীল থাকলেই ধীরে সময় বাড়ানোর কথা ভাবুন।

পড়াশোনার পরিস্থিতিনিরাপদ ব্যবস্থাসতর্কসংকেত
জাপানে প্রথম মাসবেশি কাজ নেওয়ার আগে পরিচিতি অনুষ্ঠান, যাতায়াত ও ক্লাসের নিয়ম বুঝুন।ক্লাসের সময়সূচি না জেনে গভীর রাতের কাজ নেওয়া।
সাধারণ ক্লাসের সপ্তাহনির্দিষ্ট পড়ার সময় এবং অন্তত এক দিন বিশ্রাম রাখুন।সকালের ক্লাস বাদ পড়া বা কাজ দেরিতে জমা দেওয়া।
পরীক্ষা বা বড় নির্ধারিত কাজের সময়কমপক্ষে দুই সপ্তাহ আগে কাজের পালা কমানোর অনুরোধ করুন।সময়সীমা পার হওয়ার পর উপস্থিতি বা ফল ঠিক করার চেষ্টা।
প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত দীর্ঘ ছুটিছুটির তারিখ নিশ্চিত করুন এবং পরবর্তী মেয়াদের প্রস্তুতি ও ঘুম ঠিক রাখুন।সাধারণ ক্লাসবিহীন দিনকে দীর্ঘ ছুটি ধরে নেওয়া।
উপস্থিতি বা স্বাস্থ্যের অবনতিকাজ কমান বা বন্ধ করুন এবং দ্রুত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলুন।সমস্যা লুকিয়ে রেখে বসবাসের মেয়াদ নবায়নে প্রভাব পড়বে না ভাবা।

কাজ দিয়ে যেসব পড়াশোনার দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া যাবে না

  • ক্লাস, বাধ্যতামূলক পরীক্ষাগার, গবেষণা সভা ও প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কার্যক্রমে উপস্থিত থাকা।
  • নির্ধারিত কাজ, পরীক্ষা, শিক্ষাব্যয় ও দাপ্তরিক সময়সীমা মানা।
  • নিজের শিক্ষা কার্যক্রম ও বৃত্তির প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত অগ্রগতি বজায় রাখা।
  • ঠিকানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বসবাসের মর্যাদা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া।
  • বসবাসের মেয়াদ বৈধ রাখা এবং নবায়নের প্রক্রিয়া আগে শুরু করা।
  • পারিশ্রমিকসহ ইন্টার্নশিপ, দীর্ঘ ছুটি বা ক্লাসের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ কাজের আগে প্রতিষ্ঠানে জিজ্ঞাসা করা।

জাপানের সরকারি Study in Japan নির্দেশিকায় সতর্ক করা হয়েছে যে অতিরিক্ত খণ্ডকালীন কাজের কারণে উপস্থিতি কমে গেলে কিছু শিক্ষার্থী বসবাসের অনুমোদিত মেয়াদ বাড়াতে ব্যর্থ হন। একটি নির্দিষ্ট উপস্থিতির শতাংশ আপনার প্রতিষ্ঠান ও অভিবাসন পর্যালোচনার সব শর্ত পূরণ করে না। প্রতিটি অনুপস্থিতিকে গুরুত্ব দিন।

খণ্ডকালীন কর্মক্ষেত্রে আপনার অধিকার

বিদেশি শিক্ষার্থীসহ খণ্ডকালীন কর্মীদের ওপর জাপানের শ্রম আইন প্রযোজ্য। কাজের আগে লিখিত কর্মশর্ত নিন এবং বুঝে পড়ুন। জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় নিচের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়:

  • চুক্তির মেয়াদ এবং নবায়নের নিয়ম।
  • কর্মস্থল, দায়িত্ব এবং সম্ভাব্য পরিবর্তনের সীমা।
  • কাজের শুরু ও শেষ, বিরতি, ছুটি এবং অতিরিক্ত কাজের নিয়ম।
  • বেতন কীভাবে হিসাব, পরিশোধ এবং কোন তারিখে দেওয়া হবে।
  • চাকরি ছাড়া ও বরখাস্তের নিয়ম।
  • সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন মজুরি।
  • আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত বা গভীর রাতের কাজের বাড়তি মজুরি।
  • কর্মক্ষেত্রে আঘাতের জন্য শ্রমিক দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণ।
  • আইনের শর্ত পূরণ হলে বার্ষিক বেতনসহ ছুটি।

চুক্তি, কাজের সময়, বেতন বিবরণী এবং বার্ষিক উৎসে কর কর্তন সনদ রাখুন। বেতন থেকে আয়কর কাটা হতে পারে এবং আয় ও বসবাসের পরিস্থিতি অনুযায়ী আবাসিক করের দায়িত্ব তৈরি হতে পারে। নিজের ক্ষেত্রে কর দপ্তর, পৌরসভা বা প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তরে জিজ্ঞাসা করুন।

কাজ গ্রহণের আগে সাতটি বিষয় যাচাই করুন

  1. আইনসম্মত: কর্মস্থল ও দায়িত্ব আপনার অনুমতিতে গ্রহণযোগ্য কি?
  2. সময়: নিয়োগদাতা কি সব কাজ মিলিয়ে সাপ্তাহিক সীমা মানতে পারবে?
  3. পড়াশোনা: কাজের পালা কি ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ঘুমের সময় রক্ষা করবে?
  4. চুক্তি: বেতন, দায়িত্ব, পরিশোধের তারিখ এবং বাতিলের নিয়ম কি পরিষ্কারভাবে লেখা আছে?
  5. নিরাপত্তা: প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং দুর্ঘটনার ব্যবস্থা বোঝানো হয়েছে?
  6. যাতায়াত: কাজ শেষে নিরাপদে ফেরা এবং পরের ক্লাসে উপস্থিত থাকা সম্ভব?
  7. সহায়তা: প্রতিষ্ঠান কি নিয়োগদাতাকে যাচাই করতে বা নিরাপদ বিকল্প দিতে পারবে?

প্রতারণা, শোষণ ও অবৈধ কাজের সতর্কসংকেত

  • এজেন্ট দাবি করে খণ্ডকালীন আয় দিয়ে সব শিক্ষাব্যয় ও জীবনযাপন খরচ মিটিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ দেশে পাঠানো যাবে।
  • নিয়োগদাতা সব কাজের সময় না লিখতে বা দ্বিতীয় কাজ লুকাতে বলে।
  • নিজের ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অন্যের অর্থ গ্রহণ, স্থানান্তর বা উত্তোলন করতে বলা হয়।
  • রেসিডেন্স কার্ড, ব্যাংক হিসাব, ফোন নম্বর বা পরিচয়পত্র অন্যকে ব্যবহার করতে দিতে বলা হয়।
  • কাজ শুরুর আগে জামানত, নিয়োগ ফি বা পণ্য কেনার দাবি করা হয়।
  • লিখিত চুক্তি বা বেতন বিবরণী নেই অথবা বেতন বারবার দেরি হয়।
  • কর্মস্থল বা দায়িত্ব বিজ্ঞাপনের তথ্যের সঙ্গে মেলে না।
  • নিষিদ্ধ ব্যবসা বা অনুমোদিত সময়ের বাইরে কাজের চাপ দেওয়া হয়।

সমস্যা হলে নতুন কাজের পালা নেওয়া বন্ধ করুন, প্রমাণ সংরক্ষণ করুন এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলুন। অভিবাসন প্রশ্নে আঞ্চলিক অভিবাসন সেবা দপ্তরে যোগাযোগ করুন। বেতন না পাওয়া, অনিরাপদ কাজ বা চুক্তির সমস্যায় স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিদেশি কর্মী পরামর্শসেবা ব্যবহার করুন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য পরিকল্পনার পরামর্শ

  • ভবিষ্যতের খণ্ডকালীন আয়ের ওপর নির্ভর না করে শিক্ষাব্যয় ও জীবনযাপনের অর্থ প্রস্তুত করুন।
  • প্রকৃত খরচ ও সময়সূচি জানার আগে পরিবারকে নির্দিষ্ট মাসিক অর্থ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেবেন না।
  • চুক্তির শর্ত নিজের বোঝা ভাষায় ব্যাখ্যা নিতে বলুন এবং চাপের মধ্যে সঙ্গে সঙ্গে স্বাক্ষর করবেন না।
  • সব নিয়োগদাতার জন্য একটি সাপ্তাহিক সময়ের নথি রাখুন, যাতে মোট সময় সবসময় দেখা যায়।
  • বিশেষ করে প্রথম কয়েক মাস প্রতিষ্ঠানের পরিচিত বা যাচাইকৃত কাজকে অগ্রাধিকার দিন।
  • উপস্থিতি, ঘুম, জাপানি ভাষা শেখা বা ফল খারাপ হতে শুরু করলে দ্রুত কাজের সময় কমান।

প্রথম কাজের আগে শেষ যাচাইতালিকা

  • ☐ রেসিডেন্স কার্ড বা সরকারি কাগজে অনুমতি নিশ্চিত
  • ☐ কর্মস্থল ও দায়িত্ব আইনসম্মত
  • ☐ সব কাজ মিলিয়ে সাপ্তাহিক সময় হিসাব করা
  • ☐ লিখিত চুক্তি পাওয়া এবং বোঝা
  • ☐ বেতন, পরিশোধের তারিখ, বিরতি ও রাতের কাজ নিশ্চিত
  • ☐ ক্লাস ও পরীক্ষার সময়সূচি সুরক্ষিত
  • ☐ কাজের সময়, বেতন ও করের নথি রাখার ব্যবস্থা
  • ☐ প্রতিষ্ঠান ও সরকারি পরামর্শসেবার যোগাযোগ সংরক্ষিত

সরকারি উৎস ও যাচাই

এই নির্দেশিকা সাধারণ শিক্ষামূলক তথ্য দেয়। এটি ব্যক্তিগত অভিবাসন, কর্মসংস্থান বা কর পরামর্শ নয়। অনুমতির লেখা, প্রতিষ্ঠানের ছুটি, কর্মশর্ত ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি আলাদা হতে পারে। নিজের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আঞ্চলিক অভিবাসন সেবা দপ্তর, সংশ্লিষ্ট শ্রম কর্তৃপক্ষ এবং কর দপ্তরে নিশ্চিত করুন।

Comments

Leave a Reply

Discover more from AIC Japan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading